মঙ্গলবার   ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

ব্রেকিং:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক ছুটি ৭৫ দিন আগামী মার্চে ঢাকা উত্তর সিটির ভোটের ইঙ্গিত সিইসির জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী আস্থা ভোটে টিকে গেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ খালেদার অনুপস্থিতিতেই কারাগারে বিচার চলবে রব ও মান্নার বিয়ে যুক্তফ্রন্টে, পরকীয়া ঐক্যফ্রন্টে: মাহী এটা জোট নয়, ঘোট : তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলেন সিনহা আবারও সরকার গঠনে নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতু প্রকল্পের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
৩১৭

হাইটেক পার্কে ১ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান হবে: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০১৯  

হাইটেক পার্কের ভবিষ্যত সম্ভাবনা ও সফলতার কথা জানিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‌বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে কর্মসংস্থান হবে এক লাখ তরুণ-তরুণীর। এছাড়াও বিনিয়োগ হবে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে ট্রেন যোগে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। পরিদর্শনকালে বিনিয়োগ করা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প স্থাপনা, জাতীয় তথ্য কেন্দ্রসহ পার্কের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন তারা। হাইটেক পার্কে পরিদর্শনকালে বিনিয়োগকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, আইসিটি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ১৯৯৯ সালের ১৭ জুন বিনিয়োগ বোর্ডের ১২ তম সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাই-টেক পার্ক নিমাণের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। কিন্তু পরবর্তী সরকার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেনি। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবারো এই হাই-টেক পার্ক আলোর মুখ দেখে। আমরা ক্ষমতায় এসে ২০১৪ সালে এই এলাকার উপর থাকা বিভিন্ন ধরনের মামলা নিষ্পত্তি করি এবং সে বছরের ১২ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জায়গাটি পরিদর্শন করেন। হাই-টেক পার্কের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও ট্রেন কানেক্টিভিটি খুব দরকার ছিল। আমরা উপলব্ধি করেছিলাম যে ট্রেন যোগাযোগ ছাড়া এই হাই-টেক পার্ক সফলতা পাবে না। সে সময় সজীব ওয়াজেদ জয় প্রথম আমাকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন এখানে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার জন্য। আমরা সেসময় রেলমন্ত্রীকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। তখন আমরা গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আধুনিক রেলস্টেশন স্থাপন করার প্ল্যান করেছিলাম, যা অতি সম্প্রতি বাস্তবায়িত হয়েছে।

জুনাইদ আহমেদ পলক আরো বলেন, আমরা প্রথমে ২৩২ একর জায়গা পাই। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও ৯৭ একর জায়গা আমাদেরকে দেন। আরও কিছু মিলিয়ে আমাদের এখন মোট আয়তন প্রায় ৩৫৫ একর। আগে থেকে আমাদের এখানে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করেছে। আর নতুন দেওয়া ৯৭ একর জায়গা আরও ১৮ টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দুই লাখ বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট টেকনো সিটি বিডি লিমিটেড, ২৭ হাজার ২৬০ বর্গফুট আয়তনের উপর সার্ভিস বিল্ডিং, ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম ডাটা সেন্টারসহ বিভিন্ন স্থাপনার কাজ প্রায় শেষ। নতুন বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো ও দ্রুত তাদের স্থাপনা নির্মাণে কাজ শুরু করবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় তথ্য কেন্দ্র সরকারি চাহিদা মিটিয়ে প্রয়োজনে বেসরকারি খাত থেকেও মুনাফা অর্জন করবে। চলতি বছরের জুনেই জাতীয় তথ্য কেন্দ্র বাণিজ্যিক কার্যক্রমে আসছে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে হাইটেক পার্ক প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে পলক বলেন, ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যৌথভাবে এই হাইটেক পার্ক সিটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ থাকলেও এক বছর আগে চলতি বছরেই বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যাচ্ছে আমাদের ডাটা সেন্টার। ইতিমধ্যে এখানে সব ধরনের কাজ শেষ হয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ‘ট্রায়াল’ ভিত্তিক কার্যক্রম শুরু হবে।উল্লেখ্য, কালিয়াকৈরে নির্মিত বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি রেল স্টেশনটি গত ০১ নভেম্বরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এটা ছিলো বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের দীর্ঘদিনের দাবি। এর মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি’তে বিনিয়োগকারীরা এবং সেখানে কর্মরত লোকজন খুব সহজে এবং অল্প সময়ে ঢাকা থেকে বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে যাতায়াত করতে পারবেন। এর ফলে হাই-টেক পার্কটি খুব দ্রুত কর্মচঞ্চল হয়ে উঠবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি কমিউটার ট্রেন-১’ এবং ‘বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি কমিউটার ট্রেন-২’ নামে দুটি ট্রেন প্রতিদিন চারবার ঢাকা থেকে কালিয়াকৈর যাতায়াত করছে।

কালিয়াকৈরে ৩৫৫ একর জমির উপর স্থাপিত “বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি” বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রথম প্রকল্প। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এ পার্কের প্রয়োজনীয় সকল অফসাইট ইনফ্রাস্ট্রাকচার নির্মাণের কাজ শেষ করেছে। ইতোমধ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব মডেলে (PPP) ২টি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের নিকট ১৪০ একর জমি প্রদান করা হয়েছে। ডেভেলপার কোম্পানী সামিট টেকনোপলিস বিডি লি. কর্তৃক ৬০ হাজার বর্গফুট বিশিষ্ট ফ্যাক্টরি ভবন এবং এক লক্ষ ৬৫ হাজার বর্গফুট বিশিষ্ট সিগনেচার বিল্ডিং নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অন্য ডেভেলপার কোম্পানী টেকনোসিটি বিডি লি. এর দুই লক্ষ বর্গফুট‍ বিশিষ্ট মাল্টি-টেন্যান্ট বিল্ডিং নির্মাণ কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। পার্কটিতে একটি সার্ভিস বিল্ডিং (২৭,২৬০ বর্গফুট) নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে দুটি আইটি প্রতিষ্ঠান Internet of Things (IOT) প্রোডাক্ট তৈরীর কাজ শুরু করেছে এবং একটি প্রতিষ্ঠান Product বাজারজাত করছে। চীনের সহযোগিতায় প্রায় ১৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই হাই-টেক পার্কেই গড়ে উঠছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ টায়ার ফোর ডাটা সেন্টার। ইতোমধ্যে এই জাতীয় ডাটা সেন্টারের ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে, শীঘ্রই এখানে কাজ শুরু হবে।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সরাসরি বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে প্রথম পর্যায়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ –এ ০৯টি কোম্পানিকে ২০.৫০ একর ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে আরো ০৯টি কোম্পানিকে ২৮ একর প্লট বরাদ্দ প্রদান করেছে। এর মাধ্যমে আগামী ৪০ (চল্লিশ) বছরের জন্য বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি-তে রবি অজিয়াটা, জেনেক্স, বিজেআইটি সফটওয়্যার, ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স, কেডিএস গ্রুপ, ইন্টারক্লাউড, বিজনেস অটোমেশন, নাজডাক টেকনোলজিস এবং জেআর এন্টারপ্রাইজ নামীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ বিনিয়োগের সুযোগ পায়। ইতোমধ্যে তারা সেখানে কাজ শুরু করেছে। কোম্পানিগুলো সেখানে প্রায় ১৪০.৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ ও ২৫,০০০ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে।

দ্বিতীয় ধাপে ডাটা সফট, আমরা হোল্ডিংস, ডেভ নেট লিমিটেড, স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেড, মিডিয়া সফট ডাটা সিস্টেম লিমিটেড, ইউ ওয়াই সিস্টেম লিমিটেড, এসবি টেল এন্টারপ্রাইজ এবং ইউনিকম বাংলাদেশ এন্ড সিস্টেক ডিজিটাল লি. নামীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছে। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভ ফর জবস’ শীর্ষক প্রকল্প এখানে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করবে। এই কোম্পানিগুলো ও প্রকল্পটি এখানে ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ ও প্রায় ২০,০০০ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

বিজ্ঞান - প্রযুক্তি বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
  • সেই ভূমিহীন ১১ পরিবার পেলো সরকারি জমি

  • বাংলা ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

  • ভিক্ষুকমুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

  • দুর্নীতিবাজদের ধরে ধরে বিচার করতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী 

  • জাতীয় পার্টি শক্তিশালী বিরোধী দল: রাঙ্গা

  • রিপোর্ট দেওয়ার নামে যাচ্ছেতাই মন্তব্য করলেই হবে না: দুদক

  • রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে হামলার শিকার দুই সাংবাদিক

  • রংপুরের আইনজীবী বাবু সোনা হত্যায় স্ত্রী স্নিগ্ধার মৃত্যুদণ্ড

  • ফিরতে পারে ডাইনোসর!

  • শনি গ্রহে মেঘ ছাড়াই চরম বৃষ্টি

  • ব্রেক্সিট সমাধান যাচাই মঙ্গলবার

  • নিঃসঙ্গ হাঁসটির বিদায়

  • ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে আসাম!

  • হাড়কাঁপানো শীতে সাঁতার!

  • বিপিএল ছাড়ছেন ডি ভিলিয়ার্স

  • বিপর্যয় কাটাতে হিমশিম খাচ্ছে জাপান

  • এসএসসির প্রশ্নের মোড়ক খুলবে তিন কর্মকর্তার স্বাক্ষরে

  • ‘দরিদ্র ও মেধাবী দুজন ছাত্র/ছাত্রীকে পড়াতে চাই’

  • ‘মেঘনা নদীর চারপাশে নতুন নতুন চর জেগে ওঠছে’

  • শপথের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করলেন ঐক্যফ্রন্টের দু’জন প্রার্থী

  • শ্রম মন্ত্রণালয়কে ইপিজেড পরিদর্শনের ক্ষমতা দিয়ে আইন

  • ‘নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চাইলে ইউএস-বাংলার দুর্ঘটনা এড়ানো যেত’

  • ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেবে ছাত্রদল

  • ‘আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ আমেরিকার চেয়ে ভালো হবে’

  • ‘সাংবাদিক সমীর দেবনাথ আর নেই’

  • সৌদিতে পাসপোর্ট ইকামা কার্ড রাখতে পারবেন না নিয়োগকর্তা

  • ‘ঐক্যফ্রন্টের প্রতিক্রিয়া গণতন্ত্র সম্মত নয়’

  • গণভবনে বিদেশি কূটনীতিকদের আপ্যায়ন

  • ‘আওয়ামী লীগ ছেড়ে আমি আসিনি’

  • চীনের সঙ্গে যৌথ রেল প্রকল্প নিয়ে চুক্তি বাতিল করল মালয়েশিয়া